ব্যবহার

মাইকোনাজল ওরাল জেল নিম্নোক্ত উপসর্গে নির্দেশিত- মুখ ও পরিপাকতন্ত্রীয় ক্যানডিডা জনিত সংক্রমনের চিকিৎসায়। মুখ ও পরিপাকতন্ত্রীয় ছত্রাকের কলোনাইজেশন নির্মূলে। সুপার ইনফেকশনে দায়ী গ্রাম-পজেটিভ ব্যাকটেরিয়া নির্মূলে।

Гино-Дактарин এর দাম কত? Гино-Дактарин এর দাম

Гино-Дактарин in Bangla
Гино-Дактарин in bangla
বাণিজ্যিক নাম Гино-Дактарин
জেনেরিক মাইকোনাজোল নাইট্রেট
ধরণ
পরিমাপ
দাম
চিকিৎসাগত শ্রেণি
উৎপাদনকারী
উপলভ্য দেশ Russia
সর্বশেষ সম্পাদনা January 7, 2025 at 1:49 am

খাওয়ার নিয়ম / ব্যবহারের নিয়ম

Гино-Дактарин খাওয়ার নিয়ম / ব্যবহারের নিয়ম

ওরোফ্যারিংগাল ক্যানডিডোসিস- ৬-২৪ মাসের শিশুদের ক্ষেত্রে: ১.৫ মিঃলিঃ (১/৪ পরিমাপক চামচ) জেল, দিনে চারবার খাবারের পর লাগাতে হবে। প্রাপ্তবয়স্ক এবং ২ বছর বয়সী বাচ্চাদের এবং বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে: ২.৫ মিঃলিঃ (১/২ পরিমাপক চামচ) জেল, দিনে চারবার খাবারের পর লাগাতে হবে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট ক্যানডিডোসিস- শিশু (চার মাস বয়স বা তদূর্ধ্ব), বাচ্চা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের যাদের ট্যাবলেট গিলে খেতে অসুবিধা আছে তাদের ক্ষেত্রে: দিনে ২০ মিঃগ্রাঃ প্রতি কেজি শরীরের ওজন অনুযায়ী, চার বিভক্ত মাত্রায়। প্রতিদিনের মাত্রা ২৫০ মিঃগ্রাঃ (১০ মিঃলিঃ জেল) দিনে চারবারের বেশী বাড়ানো উচিত নয়। নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহার করতে ভুলে গেলে করণীয়: নির্দিষ্ট সময়ে ডোজ নিতে ভুলে গেলে মনে হওয়া মাত্র সেবন করতে হবে। তবে পরবর্তী ডোজ নেয়ার সময় হয়ে গেলে, তা পরিহার করে স্বাভাবিক সেবনবিধি মেনে চলতে হবে। মুখের ক্ষতের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ মাইকোনাজোল জেল পরিষ্কার আঙ্গুল দিয়ে দিনে ২-৪ বার সরাসরি সংক্রমিত স্থানে প্রয়োগ করতে হবে। সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য সংক্রমিত স্থানে যতক্ষণ সম্ভব রাখতে হবে। লক্ষণ দূরীভূত হওয়ার পরও এক সপ্তাহ পর্যন্ত চিকিৎসা চালানো উচিত। ওরাল ক্যান্ডিডোসিস এর ক্ষেত্রে রাতে ডেন্টাল প্রসথেসিস পরিহার করে জেল দিয়ে ব্রাশ করা উচিত।

আরো বিস্তারিত দেখুন Гино-Дактарин

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বমি বমি ভাব এবং বমি করা, দীর্ঘদিন ব্যবহারে ডায়রিয়া এবং কদাচিৎ এলার্জিক প্রতিক্রিয়া।

সতর্কতা

মাইকোনাজোল এবং এন্টিকোআগুল্যান্ট একত্রে ব্যবহার করলে এন্টিকোআগুল্যান্ট-এর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে এবং মাত্রা সমন্বয় করতে হবে। মাইকোনাজোল এবং ফিনাইটোয়েন একত্রে ব্যবহার করলে এদের প্লাজমা লেভেল পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। শিশু এবং বাচ্চাদের ক্ষেত্রে যেন গলায় আটকে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

মিথস্ক্রিয়া

টারফেনাডিন, এসটেমিজল এবং সিসাপ্রাইড এর সাথে মাইকোনাজল ব্যবহার পরিহার করা উচিত কারণ মাইকোনাজল এদের বিপাকে বাধা দেয়, ফলে এরা অধঃক্ষিপ্ত হতে পারে।মাইকোনাজল ফিনাইটয়িন এবং সাইক্লোসপরিন এর বিপাক বিলম্বিত করে এবং এর ফলে এদের বিষক্রিয়া পরিলক্ষিত হতে পারে।

গর্ভাবস্থাকালীন ব্যবহার

গর্ভকালীন সময় মাইকোনাজোল ওরাল জেল ব্যবহারে নিরাপত্তামূলক কোন তথ্য নেই। সুতরাং গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে মাইকোনাজোল পরিহার করতে হবে অথবা সম্ভাব্য ঝুঁকিসমূহকে সম্ভাব্য সুবিধার সাথে সমন্বয় করতে হবে। যেহেতু অনেক ঔষধ মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয়, স্তন্যদাত্রী মায়েদের ক্ষেত্রে মাইকোনাজোল ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

বৈপরীত্য

যে সমস্ত রোগীর এই ঔষধের যে কোন উপাদানের প্রতি অতি সংবেদনশীলতা আছে তাদের ক্ষেত্রে মাইকোনাজোল প্রতিনির্দেশিত।

অতিরিক্ত সতর্কতা

তীব্র ওভারডোজ

মাত্রাধিক্যের ফলে বমি ও ডায়রিয়া হতে পারে। লক্ষণের ধরণের ভিত্তিতে চিকিৎসা দিতে হবে। এর জন্য কোন নির্দিষ্ট এন্টিডোট নেই।

অন্যান্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

সংরক্ষণ

আলো ও তাপ থেকে দূরে শুষ্ক স্থানে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

*** Taking medicines without doctor's advice can cause long-term problems.
Share