Gisfen

সারসংক্ষেপ

Gisfen একটি প্রোপিওনিক অ্যাসিড NSAID, যা ব্যথা, প্রদাহ ও জ্বর উপশমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষভাবে মাসিকের ব্যথা ও টিনসিলাইটিসের জন্য প্রযোজ্য।

ব্যাকগ্রাউন্ড

সর্বপ্রথম 1960-এর দশকে বাজারে আসে এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ NSAID ওষুধের একটি।

ইঙ্গিত

মাসিকের কষ্টকর ব্যথা (dysmenorrhea), মৃদু থেকে মাঝারি প্রদাহজনিত ব্যথা, জ্বর ও দাঁতের ব্যথা ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

Associated Conditions

রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, বর্নহার্ঠাইটিস, ফাইব্রোমায়ালজিয়া, ও অন্যান্য প্রদাহজনিত অবস্থা সহ ব্যথা ও জ্বরে প্রযোজ্য।

বিরোধীতা এবং ব্ল্যাকবক্স সতর্কতা

Gisfen NSAID-সংবেদনশীল অ্যাজমা, সক্রিয় peptic ulcer, গুরুতর কিডনি বা লিভার রোগ, গর্ভাবস্থার শেষ ত্রৈমাসিক ও heart failure রোগীদের জন্য বিপরীত। জরুরি অবস্থায় ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা জরুরি।

ফার্মাকোডাইনামিক্স

Gisfen COX-1 ও COX-2 এনজাইমগুলোর কার্য নিরোধ করে prostaglandin উৎপাদন হ্রাস করে, ফলশ্রুতিতে প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বর কমে।

কর্ম প্রক্রিয়া

Prostaglandin–mediated সিন্ড্রোম—যেমন ইনফ্ল্যামেশন ও পাইল্ড—প্রতিরোধ করে উপশম সৃষ্টি করে।

মাত্রা

বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রথম ডোজ ৫০০ মি.গ্রা, এরপর ২–৩ দিন ২৫০ মি.গ্রা প্রতি ৬–৮ ঘণ্টায়। দৈনিক সর্বোচ্চ ১৫০০ মি.গ্রা পর্যন্ত নেওয়া যায়, তবে চিকিৎসকের নির্দেশ মোতাবেক।

সেবনবিধি

খাবার বা দুধের সাথে খাওয়াই উত্তম, যাতে পাকস্থলে ক্ষতি কমে; সাপেক্ষে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে খেতে হবে।

কাজ করতে কত সময় লাগে?

প্রাথমিক এক্সপেক্টেড কার্য—প্রায় ৩০–৬০ মিনিটের মধ্যে, এবং সর্বোচ্চ ফলাফলে ১–২ ঘণ্টা লাগতে পারে।

শোষণ

মুখে খাওয়ার পর প্রায় ২০–৩০ মিনিটের মধ্যে শোষন শুরু ও ২–৩ ঘণ্টায় শীর্ষ স্তরে পৌঁছে যায়।

বিতরণের পরিমাণ

প্রায় ১ লিটার/কেজি, যা শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে মাঝারি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ে।

প্রোটিন বাইন্ডিং

আর্বজনা ৯৯% – অধিকাংশে প্লাজমা প্রোটিনের সাথে যুক্ত থাকে।

বিপাক

প্রধানভাবে লিভারে মাইক্রোসোমাল CYP450 এনজাইম দ্বারা মেটাবলাইজড হয়ে ইনঅ্যাকটিভ মেটাবোলাইট তৈরি করে।

অর্ধ জীবন

প্রায় ২ ঘণ্টা, যা পরবর্তী ডোজের আগে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

নির্মূল

CYP450–মেডিয়েটেড বিপাকিত মেটাবোলাইট প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ঔষধের মিথক্রিয়া

Warfarin, lithium, methotrexate, ACE inhibitors, diuretics ও অন্যান্য NSAIDs–এর সাথে মিথক্রিয়া হতে পারে। কিডনি/লিভার ফাংশনে পরিবর্তন হলে বিপদজনক হতে পারে।

রোগ মিথস্ক্রিয়া

পেপটিক আলসার, অ্যাজমা, কিডনি ফেলিউর, হেপাটিক রোগ, হার্ট ফেলিউর ইত্যাদি ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।

খাদ্য মিথস্ক্রিয়া

খাবারের সঙ্গে সেবন পাকস্থলির ক্ষতি কমায়। উচ্চফ্যাটযুক্ত খাবার শোষণে বিলম্ব ঘটাতে পারে, তবে প্রভাব সামগ্রিক কম।

ব্যবহারের দিকনির্দেশনা

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত মাত্রা ও সময় মেনে খান। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে নিয়মিত শরীর পরীক্ষা জরুরি।

প্রতিনির্দেশনা

বিশেষ করে NSAID-সংবেদনশীলতা, গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিক, সক্রিয় GI–রক্তপাত, গুরুতর HF বা কিডনি সমস্যা থাকলে ব্যবহার নিষেধ।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বমি, বমিভাব, পেটব্যথা, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা, র‍্যাশ, অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি হতে পারে।

বিরূপ প্রভাব

দীর্ঘ ব্যবহারে গ্যাস্ট্রিক আলসার, রক্তপাত, কিডনি ফেলিউর, মানসিক পরিবর্তন, লাইভার এনজুরি হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার

তৃতীয় ত্রৈমাসিকে NSAID ব্যবহার ফেলে দিতে হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকেও নেবার আগে চিকিত্সকের পরামর্শ প্রয়োজন।

স্তন্যদানকালে ব্যবহার

মূর্তভাবে দুধে নিঃসারিত হলেও সামান্য মাত্রায়; স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার সতর্কতার সঙ্গে এবং ডাক্তারের পরামর্শে করা উচিত।

বিষাক্ততা

অতিরিক্ত মাত্রায় নেওয়া হলে বমি, মাথা ঘোরা, ঘুমঘুম ভাব, কিডনি বা লিভার সমস্যা, হৃদ রক্তচাপ সমস্যা, ও গ্যাস্ট্রিক রক্তপাত হতে পারে।

সতর্কতা

লিভার, কিডনি, হার্ট ফেলিউর, উচ্চ রক্তচাপ বা অ্যাজমা রোগীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করা উচিত। অ্যালকোহল বা অন্যান্য NSAID–এর সঙ্গে ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।

মাত্রাধিক্যতা

দৈনিক ১৫০০ মি.গ্রা–এর বেশি ডোজ নেওয়া বিপজ্জনক; এতে গ্যাস্ট্রিক, কিডনি ও লিভার সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

বিপরীত

H2 blockers বা proton-pump inhibitors–এর সাথে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে পেপটিক আলসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ACE inhibitors–এর সাথে ব্যবহার কিডনি সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

সংরক্ষণ

শুষ্ক, ঠাণ্ডা (২৫ °C এর নিচে) ও আলো থেকে দূরে, শিশুদের নাগালের বাইরে সংরক্ষণ করতে হবে।

ব্যবহার

হালকা ব্যথা, প্রাথমিক ডিসমেনোরিয়া, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ক্র্যাম্প, সহনীয় ব্যথা

Gisfen এর দাম কত? Gisfen এর দাম

Gisfen in Bangla
Gisfen in bangla
বাণিজ্যিক নাম Gisfen
জেনেরিক Mefenamic acid
ধরণ
পরিমাপ
দাম
চিকিৎসাগত শ্রেণি
উৎপাদনকারী
উপলভ্য দেশ Philippines
সর্বশেষ সম্পাদনা January 7, 2025 at 1:49 am

খাওয়ার নিয়ম / ব্যবহারের নিয়ম

Gisfen খাওয়ার নিয়ম / ব্যবহারের নিয়ম

আরো বিস্তারিত দেখুন Gisfen

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সতর্কতা

মিথস্ক্রিয়া

গর্ভাবস্থাকালীন ব্যবহার

বৈপরীত্য

অতিরিক্ত সতর্কতা

তীব্র ওভারডোজ

অন্যান্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

সংরক্ষণ

*** Taking medicines without doctor's advice can cause long-term problems.
Share