Jin Di Na

নির্দেশনা

Jin Di Na একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা A ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি ভাইরাস প্রতিরোধে বা উপসর্গ কমাতে সহায়তা করে, বিশেষ করে সংক্রমণের শুরুতে ব্যবহার করলে কার্যকর।

ফার্মাকোলজি

Jin Di Na ইনফ্লুয়েঞ্জা A ভাইরাসের M2 প্রোটিনকে অবরুদ্ধ করে, যার ফলে ভাইরাসটি হোস্ট কোষের মধ্যে তার জিনেটিক ম্যাটেরিয়াল প্রবেশ করাতে পারে না। এর মাধ্যমে ভাইরাসের পুনরুৎপাদন প্রতিহত হয়।

মাত্রা

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ মাত্রা হলো দিনে দুইবার ১০০ মিগ্রা করে ৫-৭ দিন। ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য দিনে একবার ১০০ মিগ্রা। শিশুদের ক্ষেত্রে বয়স ও ওজন অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

সেবনবিধি

Jin Di Na মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। খাবারের সাথে বা খালি পেটে গ্রহণ করা যায়। সংক্রমণের শুরু থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শুরু করলে কার্যকারিতা বেশি হয়।

কিভাবে কাজ করে

এই ওষুধটি ইনফ্লুয়েঞ্জা A ভাইরাসের M2 আয়ন চ্যানেলকে ব্লক করে ভাইরাসের আনকোটিং (uncoating) বন্ধ করে দেয়, ফলে ভাইরাসটি কোষের মধ্যে তার কাজ করতে পারে না।

কাজ করতে কত সময় লাগে?

Jin Di Na সংক্রমণের শুরুর ১-২ দিনের মধ্যেই উপসর্গ হ্রাস করতে সাহায্য করে। তবে পূর্ণ কার্যকারিতা পেতে কয়েক দিন সময় লাগে।

শোষণ

মুখে সেবনের পর রিমানটাডিন দ্রুত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল ট্র্যাক্ট থেকে শোষিত হয় এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে সিস্টেমিক সার্কুলেশনে পৌঁছে।

ঔষধের মিথক্রিয়া

Paracetamol ও Aspirin এর সাথে একযোগে ব্যবহারে রক্তে Jin Di Na এর মাত্রা হ্রাস পেতে পারে। Anticholinergic ওষুধের সাথে ব্যবহার করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেড়ে যেতে পারে।

রোগ মিথস্ক্রিয়া

লিভার বা কিডনির রোগ, খিঁচুনি রোগ (epilepsy), মনো-বিকৃতি জনিত সমস্যা থাকলে সতর্কতা প্রয়োজন।

খাদ্য মিথস্ক্রিয়া

খাদ্যের সাথে কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিথস্ক্রিয়া নেই, তবে খাবারের সাথে সেবন করলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি কম হয়।

ব্যবহারের দিকনির্দেশনা

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় এবং মাত্রা অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে। লক্ষণ দেখা দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শুরু করা উচিত। সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিনির্দেশনা

Jin Di Na ব্যবহারে অ্যালার্জি থাকলে, গর্ভবতী মহিলারা, ও গুরুতর লিভার বা কিডনি রোগে ভোগা রোগীদের জন্য এটি নিষিদ্ধ।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, অনিদ্রা, নার্ভাসনেস, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, পেটব্যথা, মনোযোগের ঘাটতি ও মেজাজের পরিবর্তন হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার

Jin Di Na গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিরাপদ নয় বলে বিবেচিত হয়। শুধুমাত্র চিকিৎসক যদি উপকার ঝুঁকির তুলনায় বেশি মনে করেন, তখন ব্যবহার করা যেতে পারে।

স্তন্যদানকালে ব্যবহার

Jin Di Na স্তন্যদুগ্ধে নির্গত হতে পারে, তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।

বিষাক্ততা

উচ্চ মাত্রায় গ্রহণে স্নায়বিক সমস্যা, খিঁচুনি, বিভ্রান্তি, অস্থিরতা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতায় প্রভাব পড়তে পারে।

সতর্কতা

বয়স্ক এবং কিডনি বা লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে স্নায়বিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা

মাত্রার অতিরিক্ত গ্রহণে খিঁচুনি, গুলিয়ে ওঠা, অস্থিরতা ও হৃদস্পন্দনের অনিয়ম দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

বিপরীত

Jin Di Na শুধুমাত্র ইনফ্লুয়েঞ্জা A ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর, ইনফ্লুয়েঞ্জা B বা অন্যান্য ভাইরাল সংক্রমণে কার্যকর নয়।

সংরক্ষণ

২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, শুকনো এবং ঠাণ্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করতে হবে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।

বিস্তারের আয়তন

Jin Di Na এর বিতরণের পরিমাণ প্রায় 4.8 L/kg, যা শরীরে চমৎকার বিতরণ নির্দেশ করে।

অর্ধ জীবন

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অর্ধ জীবন প্রায় ২৪-৩৬ ঘন্টা এবং বয়স্ক বা কিডনি সমস্যা থাকলে আরও দীর্ঘ হতে পারে।

নির্মূল

Jin Di Na প্রধানত যকৃতে মেটাবোলাইজড হয় এবং কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়।

নির্মূলের পথ

প্রধানত প্রস্রাবের মাধ্যমে কিডনির মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। অল্প পরিমাণ মল ও ঘামেও নির্গত হতে পারে।

ব্যবহার

ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস সংক্রমণ

Jin Di Na এর দাম কত? Jin Di Na এর দাম

Jin Di Na in Bangla
Jin Di Na in bangla
বাণিজ্যিক নাম Jin Di Na
জেনেরিক Rimantadine
ধরণ
পরিমাপ
দাম
চিকিৎসাগত শ্রেণি
উৎপাদনকারী
উপলভ্য দেশ China
সর্বশেষ সম্পাদনা January 7, 2025 at 1:49 am

খাওয়ার নিয়ম / ব্যবহারের নিয়ম

Jin Di Na খাওয়ার নিয়ম / ব্যবহারের নিয়ম

আরো বিস্তারিত দেখুন Jin Di Na

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সতর্কতা

মিথস্ক্রিয়া

গর্ভাবস্থাকালীন ব্যবহার

বৈপরীত্য

অতিরিক্ত সতর্কতা

তীব্র ওভারডোজ

অন্যান্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া

সংরক্ষণ

*** Taking medicines without doctor's advice can cause long-term problems.
Share